BREAKING NEWS
সর্বশেষ খবর লোড হচ্ছে...
বিষয়ভিত্তিক সংবাদ

নরসিংদী, ৮ নভেম্বর ২০২৬: পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও তৈরি করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিক্রির অভিযোগে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা থেকে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঘোড়াশাল পৌরসভার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘোড়াশালে অভিযান চালিয়ে আটক

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তির নাম গিয়াস উদ্দিন মিয়া। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জ এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নরসিংদীর মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

পরে তিনি পরিবারসহ পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাইকসা এলাকায় একটি নতুন ভাড়া বাসায় ওঠেন। ওই স্থান পরিবর্তনের তথ্য পাওয়ার পর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাঁদের মালামাল বহনকারী গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর পলাশ থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে।

আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটে ভিডিও বিক্রির অভিযোগ

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

গোয়েন্দারা তাঁর ব্যাংক হিসাবেও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব লেনদেনের সঙ্গে কথিত ভিডিও বিক্রির সম্পর্ক তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানিয়েছেন, অভিযানের সময় ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অনলাইন অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ

এ ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ এবং অনলাইনে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারও ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ধারণ, প্রকাশ বা বিক্রি গুরুতর অপরাধের বিষয় হতে পারে।

এ ধরনের কোনো ভিডিও বা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা পুনরায় শেয়ার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। এতে সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

তদন্তের অপেক্ষায় পরবর্তী তথ্য

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা, অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা এবং কথিত আর্থিক লেনদেনের প্রকৃতি তদন্ত শেষে আরও পরিষ্কার হবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে অভিযোগগুলোকে আদালতে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

তথ্যসূত্র

প্রথম আলো।

আরও পড়ুন

NSNewsBD-এর সর্বশেষ সংবাদ

আমাদের অন্যান্য সেবা

NSBOOSTBD – Social Media Marketing Services

প্রতিবেদন: NSNewsBD News Desk