BREAKING NEWS
সর্বশেষ খবর লোড হচ্ছে...
বিষয়ভিত্তিক সংবাদ

ঢাকায় সিআইডি কার্যালয় ও পল্লবী থানার সামনে বোমা বিস্ফোরণ

ঢাকায় সিআইডি কার্যালয় ও পল্লবী থানার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনা

ঢাকা, ৮ নভেম্বর ২০২৬: রাজধানী ঢাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দপ্তর এবং পল্লবী থানার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

সিআইডি সদর দপ্তরের সামনে বিস্ফোরণ

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল আলম আরিফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

পল্লবী থানার সামনেও বিস্ফোরণ

একই সময়ে রাজধানীর পল্লবী থানার প্রধান ফটকের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উড়ালসড়ক থেকে দুর্বৃত্তরা ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে থানার মূল ফটকের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে।

এ ঘটনায়ও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও বিস্ফোরণ

রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে টিএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, ভিসি চত্বর এবং মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের আশপাশের স্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাগুলোর পর ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

রাজধানীতে বাসে আগুনের ঘটনাও ঘটেছে

ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাত থেকে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত মিরপুর, মহাখালী ও ভাটারা এলাকায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

এ ধরনের ধারাবাহিক ঘটনায় পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তদন্ত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা এবং নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তবে প্রতিটি ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, থানা ও গণপরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যসূত্র

প্রতিবেদন: NSNewsBD News Desk